বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আলফাডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত ১১ পরিবারকে আর্থিক অনুদান প্রদান | ফরিদপুর সংবাদ  ফরিদপুরে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত | ফরিদপুর সংবাদ  সালথায় স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে নববধূর অনশন স্বামী পলাতক | ফরিদপুর সংবাদ  ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালন | ফরিদপুর সংবাদ  সালথায় ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত | ফরিদপুর সংবাদ  সালথায় সংঘর্ষস্থল পরিদর্শনে ফরিদপুরের ডিসি | ফরিদপুর সংবাদ  সালথায় সংঘর্ষ ও ভাংচুরেরস্থান পরিদর্শনে এসপি মোর্শেদ আলম | ফরিদপুর সংবাদ  ফরিদপুর জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত | ফরিদপুর সংবাদ  ফরিদপুরে রেলমন্ত্রী জিল্লুর হাকিমকে সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত | ফরিদপুর সংবাদ  সালথায় সংঘর্ষের ঘটনায় উপজেলা চেয়ারম্যান ওয়াদুদ মাতুব্বর সহ গ্রেপ্তার ৪২ | ফরিদপুর সংবাদ 

সময়ের স্রোতে হারিয়ে গেছে গ্রামীণ ঐতিহ্যের প্রতীক হারিকেন বা কুপিবাতি | ফরিদপুর সংবাদ ডটকম

মূকূল বোস,বোয়ালমারী প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৭১ Time View

কুপিবাতি বা হারিকেন গ্রামীণ ঐতিহ্যের প্রতিকগুলোর মধ্যে অন্যতম। সেই হারিকেন আজ বিলুপ্তির পথে। যখন প্রতিটা গ্রাম ছিল বিদ্যুৎবিহীন তখন আলোর চাহিদা মিটানো বা অন্ধকার দূর করার একমাত্র অবলম্বন ছিল হারিকেন। বাঙ্গালির জীবনে রাতের অন্ধকার দূর করতে এক সময় দেশের প্রতিটা গ্রামের মানুষের অন্যতম ভরসা ছিল হারিকেন বা কুপি। যার অন্যতম জ্বালানি ছিল কেরোসিন। লাল নিল বাতি দেইখা পরান জুড়ায়ছে, ঢাকা শহর আইসা আমার আশা পুরাইছে’ এ গানের অর্থ বুঝা যায় আজ থেকে ৪০ বছর আগে যখন গ্রাম গঞ্জে বিদ্যুৎ ছিল না। গ্রামের মানুষ শহরে বেড়াতে গেলে বৈদ্যুতিক আলো দেখে অবাক হয়ে যেত। মাঝরাতে বাহিরে যেতে হলেও ভরসা ছিল এই হারিকেন বা কুপিবাতি। কুপির চেয়ে হারিকেনের ব্যবহারটা ছিল বেশি। তখনকার দিনে শুধু ঘরে নয় ঘুটঘুটে অন্ধকার রাতে এ গাঁও থেকে ও গাঁয়ে, এ পাড়া থেকে ও পাড়া যেতে লোকেরা হারিকেন ও অন্যান্য বাতি বহন করতো। নিশি রাতে মনের মানুষের সাথে দেখা করতে হারিকেন ছিল অন্যতম সঙ্গী। তখনকার সময় হারিকেন জ্বালিয়ে গ্রামাঞ্চলে মঞ্চ নাটক, যাত্রা গান কিংবা বিয়ে-সাদি অনুষ্ঠান করা হতো। হারিকেন জ্বালিয়ে বাড়ির উঠানে বা ঘরের বারান্দায় ভাই বোন এক সাথে পড়াশুনা করতো। হারিকেনের কেরোসিন তেল রাখার জন্য গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই ছিল বিশেষ ধরনের কাচের ও প্লাস্টিকের বোতল। বোতলের গলায় রশি লাগিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হতো বাঁশের খুঁটিতে। সন্ধার আগেই হারিকেনের কাচ মুছে তেল ভরে প্রস্তুত করে রাখা হতো। আমগ্রামের চিত্ত রঞ্জন দাস(৭৫) বলেন এখন প্রতিটা গ্রাম বিদ্যুৎ এর আলোয় আলোকিত তাই এখন আর হারিকেন দেখা যায় না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!

Advertise

Ads

Address

Office : Room#1002, Kanaipur, Faridpur, Dhaka. Mobile : 01719-609027, Email : faridpursangbad.com
© All rights reserved 2020. Faridpur Sangbad

Design & Developed By: JM IT SOLUTION