শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১২:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সালথায় পুলিশের কাছ থেকে হত্যা মামলার আসামি ছিনতাই | ফরিদপুর সংবাদ  চরভদ্রাসনে সরকারি জায়গা দখল করে দােকানঘর নির্মাণ | ফরিদপুর সংবাদ  সদরপুরে জাতীয় বীমা দিবস পালিত | ফরিদপুর সংবাদ  ফরিদপুরে প্রাকটিক্যাল একশনের উদ্যোগে শেয়ারিং মিটিং অনুষ্ঠিত | ফরিদপুর সংবাদ  আনসার আলী মিয়া দাখিল মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ | ফরিদপুর সংবাদ ইউপি মেম্বারের লালসায় পিতৃপরিচয় থেকে বঞ্চিত শিশুটি | ফরিদপুর সংবাদ  সালথায় বিভিন্ন মামলার আসামি ডাকাত ফরিদ ও মাসুদকে আটক করেছে পুলিশ | ফরিদপুর সংবাদ  আলফাডাঙ্গায় মহতি উদ‍্যোগ গ্রহণ করলেন মেয়রের সহধর্মিনী পপি | ফরিদপুর সংবাদ  ফরিদপুরে ঐতিহাসিক ‌ ৭ই মার্চ পালন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত  | ফরিদপুর সংবাদ  ফরিদপুরে ডায়াবেটিক সচেতনতা দিবস পালিত | ফরিদপুর সংবাদ 

সালথায় পুলিশের হাত থেকে আসামি ছিনিয়ে নিল নারীরা | ফরিদপুর সংবাদ 

মনির মোল্যা, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
  • Update Time : রবিবার, ১ মে, ২০২২
  • ২০৮ Time View

ফরিদপুরের সালথায় দুই পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে গ্রেপ্তার হওয়ায় এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের খারদিয়া গ্রামের ছয়আনি পাড়া থেকে পুলিশের উপর হামলার মামলার আসামি তারা মিয়াকে (৫৩) গ্রেপ্তার করেন সালথা থানার এসআই খারদিয়া এলাকার বিট কর্মকর্তা মো. নাজমুল ও এএসআই মো. লিয়াকত হোসেন। তাদের গ্রেপ্তার অভিযানের সময় রুখে দাঁড়ায় ওখানকার কয়েকজন নারী। ১৮ থেকে ২০ জন নারী চড়াও হয়ে ওই দুই পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি করে তাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় ওই আসামিকে। ছিনিয়ে নেওয়া আসামি তারা মিয়া খারদিয়ার ছয়আনি পাড়ার বাসিন্দা মৃত মো. মোফাজ্জেল মিয়ার ছেলে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) সুমিনুর রহমান বলেন, পুলিশ কর্মকর্তা নাজমুল ও লিয়াকত আসামি তারা মিয়াকে ধরে ফেরেছিল। কিন্তু ওই সময় ওই এলাকার ১৮ থেকে ২০ জন নারী এগিয়ে এসে পুলিশের উপর ঝাপিয়ে পড়েন। নারীরা দুই ভাগে ভাগ হয়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে ঝাপটে ধরে আলাদা করে ফেলেন। ওই সুযোগে পালিয়ে যান তারা মিয়া। তিনি বলেন, পুলিশের এ অভিযানে কোন নারী পুলিশ না থাকায় নারীদের পক্ষে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়া সহজ হয়েছে।

খারদিয়া গ্রামের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে- যদুনন্দী ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মিয়ার সাথে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে ওই এলাকায় বেশ কয়েকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

গত ২১ এপ্রিলের খারদিয়া এলাকায় এই দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ থামাতে আহত হয় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এ ঘটনায় পরে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে মামলা হয়। মামলার আসামি হিসেবে ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মিয়া গ্রেপ্তার হন। গত বৃহস্পতিবার উভয়েই আদালত থেকে জামিন পেয়ে এলাকায় ফিরে আসেন।

তারা মিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের সমর্থক। তিনিও পুলিশের উপর হামলার মামলার আসামি। এছাড়া তার নামে ২০১৯ সালে একটি এবং ২০২০ সালে দুটি মামলা রয়েছে। চার মামলার এ আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে নারীদের হামলার শিকার হন ওই দুই পুলিশ সদস্য।

তবে ঘটনার বিষয় যদুনন্দী ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিক মোল্যার বক্তব্য নেওয়ার জন্য তাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
error: Content is protected !!

Advertise

Ads

Address

Office : Room#1002, Kanaipur, Faridpur, Dhaka. Mobile : 01719-609027, Email : faridpursangbad.com
© All rights reserved 2020. Faridpur Sangbad

Design & Developed By: JM IT SOLUTION